June 26, 2022

Knight TV

fight for justice

৫০০ ম্যাচ জেতার রেকর্ড – লিওনেল মেসি

স্প্যানিশ ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৫০০ ম্যাচ জেতার রেকর্ড গড়লেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের অনন্য কীর্তির ম্যাচে পরশু কোপা দেল রে’র শেষ ষোলোতে লেগানেসকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান ৩২ বছর বয়সী মেসি। নিজে দুবার লক্ষ্যভেদ করার পাশাপাশি সতীর্থ ক্লেমেন্ত লংলের গোলে অবদান রাখেন তিনি। ম্যাচের ৫৯ ও ৮৯তম মিনিটে লেগানেসের জাল কাঁপান রেকর্ড ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। এর আগে ম্যাচের ২৭তম মিনিটে তার কর্নার থেকে লাফিয়ে উঠে হেড করে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন লংলে। পাশাপাশি সতীর্থের একটি গোলের যোগানও দেন আর্জেন্টাইন তারকা। দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখানো মেসির পাশাপাশি জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আতোঁয়া গ্রিজমান, ক্লেমেন্ত লংলে ও আর্থুর মেলো।

একপেশে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। নেলসন সেমেদোর পাস পেয়ে নিচু শটে দ‚রের পোস্টে বল পাঠান বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফরোয়ার্ড গ্রিজমান। ২৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লংলে। লাফিয়ে উঠে মেসির কর্নারে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সেলোনা। ৫৯তম মিনিটে জালের দেখা পান রেকর্ড ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসি। লেগানেসের রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর থেকে শট নেন তিনি। ডিফেন্ডার কেভিন রদ্রিগেজের পায়ে লেগে দিক পাল্টে বল জড়ায় জালে।

৭৭তম মিনিটে আনসু ফাতি ও মেসির চেষ্টা রুখে দিলেও ব্রাজিলিয়ান আর্থুরকে থামাতে পারেনি অতিথিরা। ছোট ডি-বক্সের সামনে থেকে নিচু শটে ম্যাচের স্কোরলাইন ৪-০ করেন তিনি। লেগানেসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন মেসি। ইভান রাকিতিচের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৩২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

তর্কসাপেক্ষে সময়ের সেরা ফুটবলার মেসির সবকটি জয় এসেছে বার্সার জার্সিতে। রেকর্ডের পাতায় আরও একবার নিজের নাম ওঠাতে তাকে খেলতে হয়েছে ৭১০ ম্যাচ। ৫০০ জয়ের বিপরীতে তিনি হেরেছেন মাত্র ৭৯ ম্যাচে। বাকি ১৩১ ম্যাচ ড্র হয়েছে। ২০০৪ সালের ১৬ অক্টোবর এস্পানিয়লের বিপক্ষে বার্সার হয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিয়েছিলেন মেসি।

কাতালানদের হয়ে গেল ১৫ বছরের বেশি সময়ে মোট ৮৬টি ক্লাবের বিপক্ষে জিতেছেন মেসি। তার প্রিয় প্রতিপক্ষদের তালিকায় শীর্ষে আছে স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়া। তাদের বিপক্ষে ২৯ ম্যাচে জয়োল্লাস করেছেন তিনি। স্প্যানিশ ফুটবলের দুই পরাশক্তি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গেক্ষুদে জাদুকর খ্যাত তারকা জয়োল্লাস করেছেন যথাক্রমে ২৪ ও ১৯ বার।
৭৭তম মিনিটে আনসু ফাতি ও মেসির চেষ্টা রুখে দিলেও ব্রাজিলিয়ান আর্থুরকে থামাতে পারেনি অতিথিরা। ছোট ডি-বক্সের সামনে থেকে নিচু শটে ম্যাচের স্কোরলাইন ৪-০ করেন তিনি। লেগানেসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন মেসি। ইভান রাকিতিচের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৩২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

তর্কসাপেক্ষে সময়ের সেরা ফুটবলার মেসির সবকটি জয় এসেছে বার্সার জার্সিতে। রেকর্ডের পাতায় আরও একবার নিজের নাম ওঠাতে তাকে খেলতে হয়েছে ৭১০ ম্যাচ। ৫০০ জয়ের বিপরীতে তিনি হেরেছেন মাত্র ৭৯ ম্যাচে। বাকি ১৩১ ম্যাচ ড্র হয়েছে। ২০০৪ সালের ১৬ অক্টোবর এস্পানিয়লের বিপক্ষে বার্সার হয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিয়েছিলেন মেসি।

কাতালানদের হয়ে গেল ১৫ বছরের বেশি সময়ে মোট ৮৬টি ক্লাবের বিপক্ষে জিতেছেন মেসি। তার প্রিয় প্রতিপক্ষদের তালিকায় শীর্ষে আছে স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়া। তাদের বিপক্ষে ২৯ ম্যাচে জয়োল্লাস করেছেন তিনি। স্প্যানিশ ফুটবলের দুই পরাশক্তি অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গেক্ষুদে জাদুকর খ্যাত তারকা জয়োল্লাস করেছেন যথাক্রমে ২৪ ও ১৯ বার।
বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সার জার্সিতে মেসি মুখোমুখি হয়েছেন মোট ৮৭টি দলের। তিনি কেবল জিততে পারেননি ইউডিএ গ্রামেনেতের বিপক্ষে। ২০০৪-০৫ মৌসুমের কোপা দেল রে’র শেষ চৌষট্টিতে তাদের কাছে হেরেছিল কাতালুনিয়ার ক্লাবটি। স্প্যানিশ ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচ জেতা খেলোয়াড়দের তালিকায় মেসির পরেই আছেন তার সাবেক বার্সা সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ। তিনি জিতেছিলেন ৪৭৬ ম্যাচে। ৪৬৩ জয় নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের ইকার ক্যাসিয়াস। মেসির আরেক সাবেক সতীর্থ আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ৪৫৯ ম্যাচ জিতে রয়েছেন চার নম্বরে।

লেগানেসের বিপক্ষে জয়ে জোড়া লক্ষ্যভেদের পর ক্লাবের হয়ে ৭১০ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬২২টি। ন্যু ক্যাম্পে ৩৪৮তম ম্যাচে এটি ছিল তার ২৮৫তম জয়। এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, নিজেদের মাঠে মেসির খেলা ৮২ শতাংশ ম্যাচেই জিতেছে বার্সেলোনা।