June 27, 2022

Knight TV

fight for justice

ভাঙনের ঝুঁকিতে শাহপরীর দ্বীপ

রোববার ভোররাত থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ও বাহারছড়া ইউনিয়নে ভারী বর্ষণ হয়। এতে পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়।

প্লাবিত ১৮টি গ্রাম হলো হ্নীলার ওয়াব্রাং, চৌধুরীপাড়া, জালিয়াপাড়া, সিকদারপাড়া, উলুচামারি, রঙ্গিখালী, লামারপাড়া, কোনাপাড়া এবং বাহারছড়ার শামলাপুর, শিলখালী, চৌকিদারপাড়া, বাইন্না পাড়া, কাদের পাড়া, হলবনিয়া, জাহাজপুরা, হাজাম পাড়া, মারিশবনিয়া, মাথাভাঙ্গা।

হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালীর কোথাও হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমরপানি। টেকনাফ-কক্সবাজার আঞ্চলিক সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এসব এলাকার রাস্তাঘাট, বসতঘর, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও মসজিদ হাঁটু ও কোমরপানিতে ডুবে আছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে শিশু-নারী-পুরুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে দেখা গেছে। এই দুটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে পানিতে ডুবে গেছে। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

নির্মাণাধীন নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে নির্মাণাধীন ১২১ কোটি টাকার শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধের স্থাপন করা ব্লকগুলো ধসে পড়ছে। ২০২০ সালের ৩০ জুন বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে তা হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা করা না হলে বাঁধটি ভেঙে আবারও ৪০ হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হবে।