June 26, 2022

Knight TV

fight for justice

নদী তীর রক্ষা, দখল ও দূষণরোধে প্রকল্পের কাজ চলছে

নদীতে কোনভাবেই ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। নদীর তীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নদীতে যেন পানির প্রবাহ থাকে সে বিষয়ে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে। নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকৃত জায়গা বিআইডব্লিউটিএ’র দখলে আছে। এখন নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ময়লা-আবর্জনার কারণে নদীগুলোর প্রবাহ বন্ধ বা ভাগাড় হলে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টঙ্গী এলাকায় তুরাগ নদীর রেলওয়ে ও সড়ক সেতুর নিচে এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় নদীর তীর হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নদীতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ, নদীর পানি দূষণরোধ ও পানি প্রবাহে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা দূর করা সংক্রান্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী টঙ্গী এলাকায় তুরাগ নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক ড্রেনের মুখে (নদীর তীর অংশে) নির্মিত নেটের ভেতরের পলিথিন বর্জ্য পরিষ্কার এবং ড্রেনগুলো কাভার্ড (ঢেকে রাখা)-এর ব্যবস্থা করতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা ছিল; সেটি অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, নদী তীরের সীমানা পিলার এখন দৃশ্যমান। নদী তীর রক্ষা, দখল ও দূষণরোধে প্রকল্পের কাজ চলছে। নদীর পানি দূষণরোধে বিআইডব্লিউটিএ ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ময়লা পানি পরিষ্কারের জন্য (দূষিত পানি ফিল্টারিং করা) পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে এর কার্যক্রম আরো বাড়ানো হবে। নদীর পানি দূষণরোধে ও দখলমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী একসাথে এবং এক ছাতার নিচে কাজ করব।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধে নদী তীরের ড্রেনের মুখে নির্মিত নেটের প্রটেকশনের ব্যবস্থাকে স্বাগত জানান। তিনি সরকার তথা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে নদীতে ময়লা ফেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে টঙ্গী এলাকায় নতুন রেলওয়ে সেতু এবং সড়ক সেতু নির্মাণের জন্য পিলার স্থাপনের লক্ষ্যে মাটি উত্তোলনপূর্বক মাটির স্তূপ দ্রুত সরানোর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, বাজারে পলিথিনের ব্যবহার ও বাজারজাতরোধ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দূষিত পানি পরিষ্কারের জন্য যন্ত্রপাতি চালু রাখার বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করবে।

বৈঠকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, নৌপরিবহন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্উদ্দিন চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, পরিবেশ অধিদপ্তররের ড. একেএম রফিক আহাম্মদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।